সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়ার কিছু প্রাকৃতিক উপায়

আমরা অনেকেই আমাদের রুগ্ন স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত

by Md Limon
সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়ার কিছু প্রাকৃতিক উপায়

সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়ার কিছু প্রাকৃতিক উপায়

আমরা অনেকেই আমাদের রুগ্ন স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত। আমাদের মধ্যে অনেকেই পর্যাপ্ত পরিমাণ খাওয়ার পরেও ওজন বাড়াতে পারছেন না। ওজন কম হওয়ার কারণে লোক সমাজে বিভিন্ন ধরনের কটাক্ষের সম্মুখীন হতে হয় অনেকেই।
এমন কিছু উপায় রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি প্রাকৃতিকভাবে নির্দিষ্ট একটি সময়ের মধ্যে হালকা ওজন বাড়াতে পারবেন। বর্তমানে

সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়ার জন্য কিছু প্রাকৃতিক উপায় নিম্নে দেওয়া হলো:

  1. নিয়মিত ব্যায়াম: নিয়মিত ব্যায়াম করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যাতে আপনি সুস্থ থাকতে পারেন। সম্পূর্ণ দিনে কমপক্ষে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করা উচিত। আপনি জগতের বেশিরভাগ প্রান্তে স্থানীয় জিমে সম্পূর্ণ সুবিধা পাবেন। বাসায় থাকলে সহজেই হাতের সহায়তায় ওয়েট লিফটিং বা অন্যান্য ব্যায়াম করতে পারেন।
  2. স্বাস্থ্যকর খাবার: খাবারের পরিমাণ কমানো সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক যাতে আপনি সুস্থ থাকতে পারেন। স্বাস্থ্যকর খাবার কিছু খাবার সমূহ যা কার্বোহাইড্রেট এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি প্রদান করে যেমন ফল, সবজি, প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার ইত্যাদি।

ওজন বাড়ানোর বিভিন্ন মেডিসিন বের হয়েছে যা পার্শ্বপ্রতিকরাযুক্ত।
ওজন বাড়ানোর এসব ঔষধ সেবন করার ফলে কিডনি সহ বিভিন্ন ধরনের শারীরিক অংশগুলো ক্রমান্বয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
তাই প্রাকৃতিক উপায়ে ওজন বাড়ানোর জন্য আপনার যা করতে হবে তা নিয়েই আজকের আলোচনা।

মোটা হওয়ার সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হলো শসা ও খেজুর একসঙ্গে মিশ্রিত করে খাওয়া।
এটি ইসলামিক দিক দিয়েও প্রমাণিত। রোজার মাসে আমরা সবাই খেজুর খেয়ে থাকি। বছরের বাকি সময় গুলো আমরা সাধারণত খেজুর তেমন খাই না। তবে আপনি যদি পুরো বছর খেজুর খাওয়া চালিয়ে যান তাহলে আপনার স্বাস্থ্যের অনেক উন্নতি ঘটবে।

খিচুড়ি রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালরি এবং পুষ্টিগুণ।
খেজুর ও শসা একসাথে মিশিয়ে দিলে কমপক্ষে তিনবার খাবেন।
এক থেকে দুই মাসের মধ্যেই আপনি আপনার শরীরের পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন।

ওজন বাড়ানোর জন্য আরও একটি কার্যকরী খাবার হল ডিম। তবে এই ডিম অবশ্যই দেশি মুরগির ডিম হতে হবে। কারণ বর্তমানে বিদেশ থেকে আমদানি করা বিভিন্ন মুরগির ডিম পাওয়া যায় যা উপকারের বদলে আমাদের অনেক বেশি ক্ষতি করে।
বিজ্ঞানীরা গবেষণায় প্রমাণ করেছেন যে এমন কিছু ডিম আমাদের দেশে আমদানি করা হয়েছে যার মধ্যে ক্যান্সারের বীজ পাওয়া গেছে।

সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়ার কিছু প্রাকৃতিক উপায়

সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়ার কিছু প্রাকৃতিক উপায়

সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়ার কিছু প্রাকৃতিক উপায়

তাই ডিম খাওয়ার সময় অবশ্যই সাথে থাকবেন তা দেশি মুরগির ডিম কিনা।
প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে একটি সিদ্ধ ডিম খেয়ে নিবেন। এছাড়া আপনি ডিম ভেজে অথবা তরকারির মাধ্যমেও খেতে পারেন। তবে সেদ্ধ ডিমের মধ্যে পুষ্টিগুণ অনেক বেশি। এবং ডিম পুরোপুরি সিদ্ধান্ত না করে আধা সিদ্ধ করে খাওয়ার চেষ্টা করুন।

প্রতিদিন বিকালে কয়েকটি বাদাম খেলে ওজন বেড়ে যায়। বাদাম হলো স্নেহ জাতীয় খাদ্য। কয়েক গ্রাম বাদাম গ্রহণ করলে যেমন আপনার ত্বক ভালো থাকবে তেমনি শরীরে স্নেহের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে এবং আপনার শরীরে চর্বি যোগ হবে।

মোটা হওয়ার জন্য কোন দামি খাবারের প্রয়োজন পড়ে না। পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্য সঠিক নিয়মে গ্রহণের মাধ্যমে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়া যায়।
দৈনন্দিন খাবারের সাথে শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস করুন।
নতুন করে কোন রুটিন তৈরি করতে হবে না বরং সকাল দুপুর ও রাতে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথেই মাছ-মাংস ডাল ইত্যাদি খাবেন।
এবং খাওয়ার কমপক্ষে ২ ঘণ্টা পর হালকা ব্যায়াম করবেন।
ব্যায়াম করলে আপনার শরীরে রাসায়নিক ক্রিয়া বিক্রিয়া গুলো নিতে হবে এবং আপনার তাড়াতাড়ি খুদা পাবে।
কখনোই না খেয়ে থাকার অভ্যাস করবেন না। চেষ্টা করবেন সকালের খাবার ও দুপুরের খাবারের মাঝে কোন হালকা খাবার খাওয়ার।

সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়ার কিছু প্রাকৃতিক উপায়

সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়ার কিছু প্রাকৃতিক উপায়

সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়ার কিছু প্রাকৃতিক উপায়

এই হালকা খাবারের মধ্যে অবশ্যই পুষ্টিকর খাদ্য অন্তর্ভুক্ত করুন।
অনেকেই কোমল পানীয় বার্গার চিপস চকলেট আইসক্রিম ইত্যাদি খাবার খেয়ে মোটা হয়ে যায়। তবে মনে রাখবেন এসব খাবার খেয়ে মোটা হওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ক্ষতিকর। তাই বাসায় তৈরি সুষম খাদ্য খাওয়ার অভ্যাস করুন এবং বাইরের খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।

ঠিক একইভাবে দুপুরের খাবার ও রাতের খাবারের মাঝে বিকালের দিকে কিছুটা স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।

শুধুমাত্র খাদ্যের মাধ্যমেই শরীরের ওজন বাড়ে না বরং শরীরের ওজন বাড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজন। একদিনে কমপক্ষে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমিয়ে নিন। দুপুরে খাওয়ার পর কিছুটা ঘুমিয়ে নিলে আপনার ওজন অনেক তাড়াতাড়ি বৃদ্ধি পাবে।
এছাড়া দুশ্চিন্তা ও অবসাদগ্রস্ত হওয়া থেকে বিরত থাকুন।দুশ্চিন্তার কারণে মানুষের শরীরের অনেক ওজন কমে যায়।তাই নিয়মিত পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ পর্যাপ্ত ঘুম এবং দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকার মাধ্যমে আপনি আপনার শরীরের ওজন বৃদ্ধি করতে পারেন এবং সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারেন

ওজন কমানোর কিছু কার্যকরী উপায়

You may also like

Leave a Comment