আবু সালেম সম্পর্কে অজানা তথ্য

আবু সালেম হলেন মোহাম্মাদ আবু সালেম

by Md Limon
আবু সালেম সম্পর্কে অজানা তথ্য

আবু সালেম সম্পর্কে অজানা তথ্য

আবু সালেম হলেন মোহাম্মাদ আবু সালেম, জিন্নাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম নামক একটি বড় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের নামকরণের সময় পাকিস্তানী দাতা হিসাবে পরিচিত। তিনি পাকিস্তানের একজন ব্যবসায়ী এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন।

আবু সালেম সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অপব্যবহারের অভিযোগে পাকিস্তানের কিছু নেতৃত্বকে ফন্টে দিয়ে থাকেন। তিনি সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর উদ্যোগে আটক হওয়ার আসামি হিসাবে পরিচিত। তবে তার নিজের বিষয়ে কোনো আসল প্রমাণ নেই।

এছাড়াও তিনি একজন বহুধা সম্পদশালী ব্যবসায়ী ছিলেন এবং পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকায় তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকানার সংখ্যা বেশ বড় ছিল।

আবু সালেম আব্দুল কাইয়ুম আনসারী১৯৬২ সালে ভারতের উত্তরপ্রদেশে জন্মগ্রহণ করেন। তার জাতীয়তা ভারতীয়। অপর নাম অখিল আহমেদ আজমি এবং ক্যাপ্টেন আবু সালমান।

তিনি পেশায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সংগঠক ছিলেন। বর্তমানে তিনি কারাগারে বন্দী আছেন। তাকে তার অপরাধের শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।দুঃখজনক ভাবে আবু সালেম আব্দুল কাইয়ুম আনসারী একজন অপরাধমূলক হিসাবে পরিচিত ছিলেন। তিনি পুলিশ পদাধিকারীদের হত্যা ও বোমা বিস্ফোরণ প্রস্তুতি করা ব্যবস্থাপনার অভিযোগে কারাগারে বসবাস করছেন।

তবে কিছু কারাগার সম্পর্কিত তথ্য নিয়ে বিভিন্ন সন্দেহ ও বিতর্ক থাকলেও, এখনো তার মুক্তি হবার কোন আশা নেই।হ্যাঁ, বর্তমানে আবু সালেম আব্দুল কাইয়ুম আনসারী কারাগারে বন্দী আছেন। তিনি সাউদি আরবে কয়েকটি অপরাধে অভিযুক্ত হন, যেমন সম্পত্তি লাদান, জুলম, আইনসম্মত হত্যা, সাংসদ হত্যা এবং অন্যান্য। সাউদি আরব সরকার তিনির বিরুদ্ধে মামলা চালানোর জন্য বিভিন্ন অভিযোগ দায়ের করেছে।

মাফিয়া ডন, দাউদ ঘনিষ্ঠ গ্যাংস্টার আবু সালেম। তার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লার কাছ থেকে হলফনামা চেয়েছিল সুপ্রিম
কোর্ট। কিন্তু তিনি তা দিতে পারেননি। এ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে মঙ্গলবার দেশের শীর্ষ
আদালত।আবু সালেম আব্দুল কাইয়ুম আনসারী একজন বিখ্যাত ব্যবসায়মূলক এবং রাজনৈতিক ব্যক্তি ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত উদ্যোক্তা এবং রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে ব্যবসা করে এবং প্রায় সকল খাতে তাঁর উদ্যোগে ব্যবসা চলছে। এছাড়াও তিনি প্রায় সকল রাজনৈতিক দলে সম্মানিত ছিলেন এবং বাংলাদেশের সমাজকল্যাণে তাঁর অবদান অনেকটা নির্লিপ্ত ছিল।

আবু সালেম সম্পর্কে অজানা তথ্য

আবু সালেম সম্পর্কে অজানা তথ্য

এক্ষেত্রে সূত্রে পাওয়া খবর ২০০২ সালে তৎকালীন উপমন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পর্তুগালের কোর্টে এ নিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ।

বিচারপতি সঞ্জয় কিষান কাউল ও এম এম সুন্দরেশের ডিভিশন বেঞ্চ ১৮ই এপ্রিলের মধ্যে এই হলফনামা দেওয়ার জন্য সে সুযোগ দিয়েছে।

বিষয়টিকে কমিউনিকেশন গ্যাপ বলে বিবেচনা করেছেন সিলি সিটর জেনারেল তুষার মেহতা ‌। আদালতের খবর অনুযায়ী জানানো হয়েছে হলফনামাটি এখনো জমা পড়েনি।

তিনি মৌখিকভাবে সিটি জমা দিতে চান কিনা সেটি জিজ্ঞাসা ব্যাপারে দাবিও করা হয়েছে।

আসলে আবু সালেমের মুক্তি হবে কবে সে বিষয়ে কেন্দ্রের অবস্থান জানতে চেয়েছে আদালত। এদিকে পর্তুগালের সঙ্গে প্রত্যাবরনের সময় আদবানী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ২৫ বছর জেল খাটার পরে তাকে আর কারাবন্দি রাখা হবে না এবং তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে না।আবু সালেম এখনো আইনত দণ্ডিত একজন ব্যক্তি এবং তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলছে। তবে তাঁর মুক্তি নির্ভর করবে আইনত কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তে এবং আইনি পদক্ষেপে। আবু সালেম যদি আইনের আশ্রয় না নিতে পারেন তবে তাঁর মুক্তি সম্ভব হতে পারে।

বর্তমানে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ভোগ করছেন তিনি। ২০০৫ সালে ভারত থেকে পর্তুগালে নিয়ে আসা হয়েছিল তাকে। ১৯৯৩ সালে মুম্বাই বিস্ফোরণের মামলা এবং ১৯৯৫ সালে মুম্বাইয়ের ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় নাম জড়িয়ে আছে তার।

জানা গেছে,তাকে সারাজীবনের জন্য কারাগারে বন্দী করা হয়েছে‌ তার কুকর্মের জন্য।

মাফিয়া দাউদ ইব্রাহিম সম্পর্কে অজানা তথ্য:

You may also like

Leave a Comment